Sat. Dec 14th, 2019

সিলেট টেলিগ্রাফ

সত্য প্রকাশে অবিচল

জগদীশ চন্দ্র দাস সিলেট আওয়ামীলীগের ‘ক্যারিশম্যাটিক’ নেতা

1 min read

আশীষ দে ও যীশু আচার্য্য :

আমি দু:খ দিনের ফুল সখা
দু:খ দিনের ফুল:)
শরতকালের শুভ্র আমি
বসন্তেরই ভুল!

উপরের পঙ্কতিমালা গুলো যেনো সিলেট আওয়ামীলীগের ত্যাগী ও অবহেলিত নেতাদেরই প্রতিচ্ছবি, যারা দলের দুর্দিনে মেধা ও শ্রম দিয়েছেন কিন্তুু সুদীনে নিজ দলেই অবহেলা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন বসন্তের কোকিলদের আনাগোনায়। কেননা বসন্তের কোকিলরা তৈলমর্দনে বিশ্বাসী হলেও ত্যাগীরা ঠিক তার উল্টো।
দল টানা ক্ষমতায় আসার পর অতি উৎসাহীদের বিচরণ যেন সর্বত্র। যারা জীবনে এক মুহূর্তের জন্যও আওয়ামী লীগের আদর্শের রাজনীতি করেননি,জামায়াত শিবিরের সাথে আঁতাত রেখে চলেছেন কিংবা ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ছিল শক্ত অবস্থান তারাই এখন আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি চিন্তিত ও পদ প্রত্যাশী। অনেকেই আবার আওয়ামীলীগের পরিচয় ভাঙ্গিয়ে হয়েছেন কোটি কোটি টাকার মালিক।কিন্তুু দলের দুর্দিনে সিলেট আওয়ামিলীগকে যারা শক্ত হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন ও সংগঠিত রেখেছেন সেই জগদীশ চন্দ্র দাস এর মতো ত্যাগী নেতারা উপেক্ষিতই থেকেছেন চিরকাল।
সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক, সিলেট জেলা যুবলীগ এর সাবেক সভাপতি, সিসিক ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক  ৩ বারের জননন্দিত কাউন্সিলর, বর্তমান সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ এর বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক  শ্রী জগদীশ চন্দ্র দাশ যেনো সিলেট রাজপথেরই এক জলজ্যান্ত কিংবদন্তি।
যিনি দলের দুঃসময়ে ছিলেন রাজপথের অতন্দ্র প্রহরী।তাই জগদীশ দাস আজ আর কেবল একটি নামই নয় বরং একটি ইতিহাস, যে ইতিহাসের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে গনতন্ত্র, উন্নয়ন ও মুক্তিকামী মানুষের সংগ্রাম, ত্যাগ, ও তিতিক্ষার গল্প।

জগদীশ চন্দ্র দাসের সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক ইতিহাস :

-১৯৮৭ সালের  ১০ নভেম্বর শহিদ নুর হসেন কে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে জগদীশ দাসের নেতৃতে সিলেটে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। একই দিনেই তার  উপরে ২ টি  মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়।
-১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সিলেট জেলা ছাত্রলিগের আহবায়ক কমিটির আহবায়ক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন।
-১৯৮১-৮৪ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এর সদস্য হিসবে দ্বায়িত্ব পালন
-১৯৮৪-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এরশাদ খালেদাজিয়া বিরোধী আন্দোলনে গিয়ে ৫০ টি মিথ্যা মামলায় আক্রান্ত।
-১৯৯৫ সালে ছাত্রলীগ এর আহবায়ক থাকা অবস্থায় সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর কমিশনার নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে কমিশনার বৃন্দের ভোটে পৌর মেয়র  নির্বাচিত হন।
-১৯৯৬ সালে সিলেট জেলা যুবলীগ এর সিনিয়র যুগ্ম আহব্বায়ক নির্বাচিত হন।
-২০০৩ সালে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সিলেট জেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।১৪ বছর সেই  দায়িত্ব পালন করেন।পরে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
-২০০৪ সালের ২১ আগস্ট  বঙ্গবন্ধু এভিনিউর সমাবেশে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রি শেখ  হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলা‍র ঘটনায় তিনি আহত হন। নেত্রীকে  বাঁচাতে গিয়ে অনেক নিহত আহত নিহতদের মধ্যে তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের  মুখোমুখি হন ও রক্তাক্ত জখম হন যার ফলস্বরুপ ২টি হাটু ক্ষত বিক্ষত হয় দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরেও এখনো চলাচল করতে কষ্ট হয়।
-২০০৪ এর পর বিরোধী দলের মিথ্যা মামলায় জীবনে ১৩ বার জেলে গিয়েছন ও দীর্ঘ ৯ বছর ৮ মাস জেল খেটেছেন।
-২০০৮ সালের সাত মার্চ সিলেটে ভোট তোলার শেষ তারিখে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে গেলে ১/১১  সরকারের যৌথ বাহিনি তার চোখ বেধে গাড়িতে করে নিয়ে যায়। পরের দিন ৩ টি ভাঙ্গা অস্ত্র দিয়ে ৩ টি মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে  দেয়। দীর্ঘ ষোল মাস কারাবরন করে ৮নং ওয়ার্ডের  জনগনের বিপুল ভোটে ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

আগামী ৫ ই ডিসেম্বরে সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগ এর সম্মেলনে তিনি  সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়েছেন এবং এই  ত্যাগী নেতাকে  যোগ্য পদে দেখতে চায় তৃনমুল আওয়ামীলীগসহ সাধারণ আওয়ামী প্রেমী জনগন ও দলের শুভাকাঙ্খীরা।

সিলেট টেলিগ্রাফ, স্বপ্নীল ৬৪ মির্জাজাঙ্গাল, সিলেট, ফোন :০১৭১২-৬৫০১৫৬ | Newsphere by AF themes.
Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.